স্বর্গ থেকে আসে প্রেম স্বর্গে চলে যায়-তানভীর আহমেদ

বৈশাখ মাসের পড়ন্ত বিকেলে অরূপ পাশের গ্রামের ঘুরতে গিয়েছে। সেখানে বটতলা নামক একটা জায়গায় বৈশাখী মেলা বসেছে। বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণের মানুষের সমাগত সেখানে। অরূপ এবং তমাল ঘুরতে ঘুরতে ছোট্ট একটা চুড়ির দোকানের সামনে গিয়ে দাড়িয়েছে। হঠাৎ আচমকা কে জেনো এসে অরূপকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো আপনারা এখানে কেনো? এখানেতো শুধু মেয়েদের গহনা আপনারা এখানে কেনো? অরূপ কথাটা শুনে পিছনের দিকে তাকাতেই দেখতে পায় অপরূপ সুন্দরী একটা মেয়েকে। মেয়েটাকে দেখার পরে অরূপ বাকরুদ্ধ হয়ে যায়। মনে হল ঈশ্বর তার বাকশক্তি কেড়ে নিয়ে গেছে। কিছু সময় পরে অরূপ স্বাভাবিক হয় কিন্তু ততক্ষণে মেয়েটি কোথায় যেনো হারিয়ে যায়। অরূপ মেয়েটাকে পাগলের মত খুজে বেড়ায়, অরূপের ধ্যান, ধারণা এবং কল্পনায় শুধু নাম না জানা সেই মেয়েটা। কিছু দিন পরে অরূপের মামাতো ভাই এর বিয়ের অনুষ্ঠানে হঠাৎ সেই মেয়েটিকে দেখতে পায়। এরপরে মেয়েটার সাথে অনেক কষ্টের পরে অরূপ কথা বলতে পারে, মেয়েটার নাম অনামিকা। সে এখন সম্পর্কে অরূপের বেয়ান। অনামিকার বড় বোন কে অরূপের মামাতো ভাই বিয়ে করেছে। এ কথাটা শোনার পরে অরূপ আল্লাহতালার দরবারে হাজার কোটি শুকরিয়া আদায় করে। কিছু দিন পরে ভাবির সাথে অরূপ তাদের বাড়িতে যায়। বিকাল বেলা ওরা কয়েকজন এক সাথে হাটতে বের হলে সে দিন অরূপের দৃষ্টি ভঙ্গি দেখে অনামিকার আর বুঝতে বাকি থাকে না যে অরূপ তাকে পছন্দ করে। তারপরেও অনামিকা অরূপকে কিছুই বুঝতে দেয় না। সেদিন রাত আটটার দিকে অরূপ এবং অনামিকা বসে কথা বলতেছিল। তখন অরূপ অনামিকাকে মেলা থেকে দেখেই প্রেমে পড়ে গিয়েছিল কথা টা বলতেই মনে হলো সে আকাশ থেকে পড়লো। অরূপের সাথে কোন প্রকার সম্পর্কে জড়াতে অনামিকা রাজি না তাই সে সেখান থেকে চলে যায়। পরের দিন অরূপের ফেরার পালা তাই সে চলে আসে। তবে আশার সময় অনামিকাকে আবারও অনুরোধ করে আশে তার সাথে সম্পর্কে জড়াতে। কিছুদিন পরে অরূপের পাগলামির কাছে অনামিকার দৃঢ়তা হার মানতে বাধ্য হয় এবং সেও অরূপকে ভালোবেসে। দুজন দুজনকে পাগলের মত ভালোবাসে এ যেনো র্স্বগীয় প্রেম। লুকায়ে লুকায়ে একে অপরের সাথে দেখা করতো আর এক দিন না দেখতে পারলে দুজনের ই দম বন্ধ হয়ে যেতো। অরূপ একদিন ভুলঃবশত মানিব্যাগটা বাড়িতে রেখে যায় আর সেদিন ঘটে যত অঘটনা। অরূপের বাবা মানিব্যাগে হাত দিতে অনামিকার দেওয়া চিঠি গুলো দেখতে পায়। রাত আটটার দিকে অরূপ যখন বাড়িতে ফিরে আসে বাবার কথায় তার আর বুঝতে বাকি থাকে না আজ কি ঘটেছে। অরূপের বাবা কোন ভাবে রাজি না অনামিকাকে তার ছেলের বউ করে আনতে। অরূপদের তুলনায় অনামিকার বাবার অর্থনৈতিক অবস্থা অপেক্ষমান দুর্বল বলে। এদিকে অরূপের বাবা অরূপকে ঘর বন্দী করে রাখে। বিষয়টি নিয়ে অনামিকার বাবাও নড়েচড়ে বসেন। সেও অরূপের সাথে কোন ভাবেই মেয়ে দিবেন না। হঠাৎ অনামিকার বিয়ে ঠিক করেন পাশের গ্রামের এক সরকারী চাকরিজীবির সাথে আগামী শুক্রবার। খবরটা শুনে অনামিকা দিশেহারা হয়ে যায় এবং কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এদিকে অরূপতো একেবারে মৃত্যু সজ্জ্বাশায়ী হয়ে পড়ে। রবিবারে সন্ধ্যার সময় অরূপ অনেক অসুস্থ্য হয়ে পড়ে তাকে সাথে সাথে থানা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়, সেখান থেকে জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। অরূপের বাবা-মা জানতেন ছোটবেলায় অরূপের ব্রেন টিউমার ধরা পড়েছিল। জেলা হাসপাতাল থেকে দুই দিন পরে তাকে বাড়ি আনা হয় তবে সেটা অরূপের লাশ। ওদিকে অনামিকা এই খবর শুনে বিশ খেয়ে আত্মহত্যা করে।

Advertisements

চুড়িওয়ালার ছেলে

চুড়ি লাগবে, চুড়ি। আলতা, স্নো, কানের দুল,
চুড়ি। এই ভাবেই গ্রামে গ্রামে
চুড়ির ঝুপিটা নিয়ে হাটতে হাটতে ডাক
ছাড়তেন অরূপেরর বাবা। অরূপের বাবা হত
দরিদ্র তবে তিনি সৎ চরিত্রবান একজন মানুষ।
কোন এক সময় চুড়ি বিক্রি করে
জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে ভদ্র সমাজের
কয়েকটা নিকৃষ্ট পেশার মধ্যে এটা
একটা অন্যতম পেশা। অরূপের বাবা এই
পেশাটা ছেড়েছেন এক যুগ আগে, তারপরেও
সবাই এই চুড়িওয়ালা বলে ডাকে। যাই হোক,
চলে যাই মূল কথায়, হঠাৎ সেদিন
অনন্যার সাথে দেখা হয়ে গেল নানা
বাড়িতে। তারপরেই ঘটলো যত ঘটনা। অরূপ
রাজশাহী থেকে বাড়ি এসেছে বেশ কয়েক
মাস পরে। সে দিন বন্ধুদের সাথে আড্ডা
বাজী করে সারাদিন কেটে গেলো। তখন
রাত নয়টা বাজে অরূপের মামাতো বোন
অনামিকা একটা এসএমএস পাঠায় অরূপের
মোবাইলে। আর তারপরেই সাথে সাথে অরূপ
ওর এক বন্ধুকে সাথে করে মটর সাইকেল নিয়ে
বের হয়ে যায় অনন্যাকে দেখার
উদ্দেশ্যে। ঠিক দশ মিনিট পরে অরূপ অনন্যার
সামনে গিয়ে হাজির। অবশ্য
অনন্যা জানতেন না অরূপ ফরিদপুরে আছেন।
এদিকে অনন্যা তো অবাক নয়নে অরূপের
দিকে তাকিয়ে আছে। অরূপকে দেখার পরে
অনন্যা একটু ভয় ভয়ও পেল। কারণ আজ থেকে
88 দিন আগে শেষ কথা হয়েছিল। রাতের
বেলায় হঠাৎ করে নানা বাড়িতে যাওয়াটা
কেউই ভালো ভাবে নেয়নি। সবাই বিষয়টা
কে আড় চোখে দেখেছে। তাইতে দুই দিন
পরে অনন্যা নানা বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পরে
সবাই অরূপকে ডাকে। অরূপ অনন্যাকে
পৃথিবীর সব থেকে বেশি ভালোবাসতো।
কিন্তু সবাই অরূপকে প্রশ্ন করলো, তুইতো
চুড়িওয়ালার ছেলে, তুই কেনো এমন একটা উচ্চ
শিক্ষিত পরিবার এবং মেধাবী
মেয়েকে ভালোবাসার স্বপ্ন দেখলি?
এদিকে অনন্যাকে যখন সবাই জিজ্ঞাসা
করে তুমি অরূপকে ভালোবাস কী না? তখন সে এক
বাক্যে উত্তর দেয়, না। এরপরে, অরূপ
আর কোন উত্তর দিতে পারেনি। আর অরূপের
ভালোবাসার মূল্যায়ন কেউ- ই করে নাই
এমন কি অনন্যাও না কারণ অরূপ চুড়িওয়ালার
ছেলে বলে।

-তানভীর আহমেদ

প্রিয় বন্ধু

প্রিয় বন্ধু, আশা করি ভালো আছো? শরীরটা আজ কয়েকদিন হলো খু্বই খারাপ। বুকের ব্যাথাটা হঠাৎ করে বেড়ে গিয়েছে। কাউকে বলতে পারিনি এমনকি তোমাকেও না তাই তো এই ইলেক্ট্রিক্যাল যুগে তোমাকে চিঠি লেখা। বন্ধু মনের মধ্যে জমে থাকা মেঘ গুলো দিনে দিনে কেনো জানি কালোচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছে। কাউকে আঘাত করে কখনো কিছু বলতে পারি না। তাইতো সে দিন ওরা ধরে বেধে আমাকে অপরাধী হিসাবে প্রমাণ করে দিলো। কিন্তু কেউ একটি বারের জন্যও বুঝতে চেষ্টা করলো না আমি কোন অপরাধ করিনি। আচ্ছা বন্ধু, ভালোবাসাতো কোন অপরাধ না তাহলে আমি কেনো ভালোবেসে অপরাধী হলাম। আর কেউ না জানুক তুমিতো জানো আমি অধরাকে ভালোবাসতে চাইনি। কিন্তু ওর পাগলামির কাছে অবশেষে হার মানতে হয়। তাহলে কেনো এখন শুধু আমি একা অপরাধী হব? আমি গরীব বলে কি সব অপরাধ আমার? আমি কখনোই অধরাকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাড় করাবো না। বন্ধু অধরাতো পারতো একবারের জন্য সবার সামনে আমাকে ভালোবাসে কথাটা বলতে। জীবনে কখনো অধরাকে সামনে পেলে একটি বারের জন্য জিজ্ঞাসা করো, ও ভালো আছে কি না? রাতে খায় কি না? রাস্তা পারাপারের সময় দেখে শুনে পার হয় কি না? জানো বন্ধু, একদিন আমার সামনে হঠাৎ একটা মোটর সাইকেল এসে ওর পায়ের সামনে পড়ে। সেদিন থেকে আমি যখন শুনতাম ও কোথাও যাবে, আামার অনেক ভয় হতো। যত সময় না ঠিক মতো পৌছায়ে এসএমএস করতো তত সময় দুশ্চিন্তায় থাকতাম্, কোন কাজেই মন বসাতে পারতাম না। বন্ধু কেনো জানি আজ অধরাকে বড্ড দেখতে ইচ্ছা করছে। যাই হোক বন্ধু, নিশ্বাস নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে তাই আর লিখতে পারিছি না। ভালো থেকো। এই চিঠিটাই ছিল অয়নের জিবনের শেষ চিঠি। সেদিন রাতে অয়ন খুবই অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। দেড় বছর আগে অয়নের ক্যান্সার ধরা পড়ে। প্রথম প্রথম অসুস্থ্য লাগলে ওষুধ খেতো, নিয়মিত ডাক্তারের কাছে গিয়ে চেকআপ করাতো কিন্তু হঠাৎ করে অধরা অয়নের জীবন থেকে দূরে সরে যেতে লাগলো। তারপরে অযনকে আর কখনো ডাক্তারের কাছে যেতে দেখিনি। অয়নের টেবিলের উপরে এ চিঠিটি লেখা ছিল। চিঠিটি অয়ন বন্ধু আদনানের উদ্দেশ্যে লিখেছিলেন। চিঠিটি আদনানের হাতে পৌছানোর আগেই অয়ন না ফেরার দেশে চলে গিয়েছে।

 

লেখাঃ তানভীর আহমেদ

 

 

 

অন্ধকারে ঢেকে গেছে মনের আকাশ

kgআকাশে আজ অনেক মেঘ তুমি কি দেখতে পেয়েছো। না তুমি সে মেঘ দেখতে পাবে না। ওহ্‌ তুমি বুঝতে পেরেছো না! হ্যাঁ, তুমি ঠিকই ধরেছো আজ আমার মনের আকাশে মেঘ জমেছে। চারিদিক অন্ধকারে ঢেকে গেছে আর দেখো উত্তর দিক থেকে কালো মেঘ দানোবের মতো ধেয়ে আসছে ঠিক আমার দিকে। শরীর কতোটা নির্ভরশীল মনের উপর তা এখন আর বুঝিয়ে বলতে হবে না। আজ আমি আপনাদের কে কালো আকাশে ঢাকা একটা মনের কথা বলবো। ছেলেটার নাম অরূপ। গ্রামের শান্ত শ্রিষ্ট, নম্র, ভদ্র একটা ছেলে। গ্রামে যদি একজন ভদ্র ছেলে থাকে তাহলে সে-ই একমাত্র ভদ্র বলে গ্রামবাসি জানে। কখনও কারো সাথে মারামারি, বকা ঝকা করে না গ্রামে এতে তার অনেক সুনাম রয়েছে। ছোট্ট ছেলেটি দিনে দিনে কৈশোরে পাঁ দিলো। এদিকে ছেলেটি পড়া লেখায় মোটামুটি। তবে ক্লাসে তার অনেক সুনাম রয়েছে। সে কখনও কোন শিক্ষকের সাথে খারাপ ব্যবহার করে না। ক্লাসেও পড়া ঠিক মতো দিতে পারে। অরূপ এর শুধু দাদা ছাড়া পৃথিবীতে সবাই আছে। অরূপ ছেলেবেলা থেকে একটা মেয়েকে মনে মনে পছন্দ করতো। আর মেয়েটি অন্য কেউ না সে তার ফুফাতো বোন অনন্যা। তবে অরূপ আর অনন্যার অনেক দিন পর পর দেখা হয়। এদিকে অরূপ এর সবে মাত্র গোফ উঠতেছে, কালো কালো রেখা মাত্র। অরূপ সময় পেলেই কোন না কোন বাহানা ধরে চলে যেতো অনন্যাদের বাড়িতে, অনন্যাকে দেখবে বলে। অনন্যাদের পাশের গ্রামে অয়নদের বাড়ি। আর অয়ন হলো অরূপের বড় ফুফুর একমাত্র ছেলে। অয়ন আর অরূপ ছেলে বেলায় অনেক মার পিঠে ছিলো। দুজন দুজন কে এক বিন্দও ছাড় দিতো না। তবে যত দিন যেতে থাকে ততো ওদের মধ্যে একটা বন্ধুত্ব সৃষ্টি হতে থাকে। এখন ওরা শুধু ভাই-ই না, একে অপরের ভালো বন্ধুও। অয়ন জানে অরূপ অনন্যাকে পছন্দ করে তাই অয়ন সব সময় ওকে সাহায্য করে। যাই হোক, অরূপের মাত্র নবম শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। হাঁফ ছেড়ে বাঁচার মতো। হঠাৎ একদিন অরূপের দাদির সাথে অনন্যা বেড়াতে আসে ওদের বাড়িতে। এদিকে অনন্যার ও ষষ্ঠ শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষা শেষ। ও কয়েকদিন এ বাড়িতে বেড়ানোর পরে যে দিন চলে যাবে সেদিন অরূপ কে তাক লাগিয়ে দিয়ে গেল। চলে যাওয়ার আগে অনন্যা অরূপ এর কাছে এসেছে বিদায় নিতে। আসলে সেখানে অনন্যার উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন, সে এসেছে অরূপকে জানাতে যে সে অরূপ কে ভালোবাসে। অনন্যা এসে অরূপকে একটা ডায়রি, কলম আর কিছু লজেন্স দিয়ে বলে তুমি এগুলো গ্রহণ করো। আর তুমি যদি এ গ্রলো না গ্রহণ করো তাহলে আমি সব পানিতে ফেলে দেবো। এদিকে অরূপ তো মেঘ না চায়তেই বৃষ্টি পেয়ে গেছে। অনন্যার দেওয়া সব কিছু অরূপ গ্রহণ করে। তারপরে-ই ওর দাদির সাথে অনন্যা চলে যায়। এরপরে দুজনে যেখানে পারতো সেখানে দেখা করতো। দুজনে একসাথে হাসতো, খেলতো, ঘোরাফেরা করতো। ওরা একসাথে অনেক মজা করতো। অরূপ যখন অনার্স প্রথম বর্ষে, অনন্যা তখন ইন্টার মিডিয়েট প্রথম বর্ষে পড়ে। আর ওরা ওদের জেলা শহরে পাশাপাশি ভবনে থাকতো। ছেলেটার না দেখতে পারার অতীপ্ত বাসনা গুলো পূরণ হয়। দিনে রাতে যখনই ইচ্ছা হতো তখনই মেয়েটাকে দেখার জন্য ছেলেটা চলে যেতো ওর বাসার সামনে। হঠাৎ এক কাল বৈশাখী ঝড়ে জেলা শহর হতে ছেলেটার চলে আসতে হয় গ্রামের বাড়িতে। গ্রামে চলে আসার পরের থেকে ছেলেটার মন খারাপ থাকে। এর মধ্যে-ই ছেলেটার একটা সরকারী চাকরি হয়ে যায়। তাই সে গ্রাম থেকে চলে যায় দূরের একটা শহরে। তবে ছেলেটার সাথে মেয়েটার মোবাইলে প্রতিদিনই যোগাযোগ হতো। অরূপ এবার পরিকল্পনা করেছে ওর ট্রেনিং শেষ হলেই ওরা বিয়ে করবে। আর এরই মধ্যে অরূপ অনন্যার মাঝে ঢুকে পড়ে রাবোন বেশে অরূপ এর কাকা সে অরূপ সম্পর্কে যত বানানো মিথ্যা কথা অনন্যা এবং ওর মাকে বলে। আস্তে আস্তে ওদের সম্পর্কে ফাটল ধরতে থাকে।ka হঠাৎ একদিন অনন্যা ফোন করে বলে আমি আর তোমার সাথে সম্পর্ক রাখতে পারবো না! তুমি আমাকে ভুলে যাও আর কখনো আমাকে ফোন করো না। তখন মনে হলো অরূপ এর মাথায় কে জেনো সজোরে একটা বাড়ি দিলো। তারপরে অরূপ পাগলের মতো হয়ে গেলো। এরপরে এক বছর হয়ে গেল এখনও অরূপ অনন্যাকে ভালোবাসে এখন আর ওদের আগের মতো কথা হয় না। শুনেছি অনন্যা নিজেই নাকি যোগাযোগ করে না। এদিকে অরূপের বাবা-মা চায় ছেলেকে অন্য কোথাও বিয়ে করাতে। যাতে ওর মন ভালো হয়ে যায়। কিন্তু ও বিয়ে করবে না। এখন হারাম বলতে কেউ আর অরূপ এর সাথে কথা বলতে চায় না। সবার থেকে অরূপ আজ অনেক দূরে। তারপরেও অরূপ আজও অনন্যার জন্য রাত জেগে বসে থাকে যদি সে আসে।

Save

Save

এক বার আমার মতো করে সাজবে কি?

কন্যা একবার আমার মনের মতো করে সাজবে কি? অরুপ নামের ছেলেটা ওর ভালোবাসার মানুষটাকে কথাটা বললো।ggggggggggggggggg মেয়েটা যে অরুপ কে ভালোবাসতো না সেটা ও কিন্তু নয়। হয়তোবা মেয়েটা মেয়েটার মতো করে প্রকাশ করাতো। মাঝে মাঝে ছেলেটার(অরুপ) অনেক কষ্ট হতো। কারণ ছেলেটা (অরুপ) যখন মেয়েটার কাছে সামান্য একটু সময় চাইতো তখন সে না করে দিতো। ছেলেটা (অরুপ) মেয়েটার সাথে একটু রিক্সায় ঘুরতে চাইতো। কিন্তু মেয়েটার সে সময়টাই ছিলো না। কখন ও মেয়েটার সাথে ছেলেটা (অরুপ)30 মিনিট ও এক সাথে থাকতে পারে নাই। মেয়েটার সামনে অরুপ গেলে ও তাকে চিনতে ই পারে না, এ কে আর আমি কথা বলি কার সাথে। অরুপের মনে হয় মেয়েটা ওর মতো করে কখনই সময় দেয় না, কথা বলে না। তাই তো এক দিন মেয়েটাকে অরুপ ওই প্রশ্নটা করলো। তবে দুজন দুজনের জীবন।

জীবনের সিদ্ধান্তে ভুল

কষ্টের মাঝে বসবাস

বর্তমানে আমাদের সমাজে যে ছেলে মেয়েরা মনের ভিতরে এক বুক কষ্ট নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, তারা যাকে বুকের ভিতরে তিল তিল করে গড়ে তুলে ছিল। সে মানুষটা যখন তাকে এক বুক কষ্ট উপহার দিয়ে তাকে ছেড়ে অন্য কারো সাথে সুখে ঘর করার স্বপ্ন নিয়ে চলে যায়। এখানে যে মানুষটা ছেড়ে চলে গেল, আমি তাকে দোষ দিই না। যে মানুষ টা ভালোবেসে এক বুক জ্বালা নিয়ে অনেক কষ্টের মাঝে এ পৃথিবীতে বেঁচে আছে এখানে তার নিজের-ই বেশি দোষ। তার কারণ সে তার ভালোবাসা অপাত্রে দান করার জন্য মনটা স্থির করেছিল এবং মনের গভীর থেকে ভালোবেসে ছিল। তার ভালোবাসার মর্যাদা দিতে পারে এমন কাউকে সে বেছে নিতে পারে নাই। আর এ ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সারা জীবন তাকে এ ভুলের মাশুল দিতে হবে বুকের কষ্ট দিয়ে।

SEO Expert Tanvir Ahmed

Hello my dear visitor,

Recently one month I was joined SEO side working. It is very simple work for create my self.  At present I am properly SEO Expert man.

If you SEO working then you will be contract better on SEO Expert man.

Or

Follow my blog side:

*         personallife.wordpress.com

*         seotanvir.blogspot.com

*         tanvirahmed1050@gmail.com